তিব্বতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৬ জনে। গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ২০০ জন। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে উদ্ধার অভিযান চলছে। বুধবার (৮ জানুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জীবিতদের সন্ধানে রাতভর বিরতিহীন অনুসন্ধান চালিয়েছে জরুরি বিভাগ। স্থানীয়রাও এই অনুসন্ধানে অংশ নিয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উদ্ধার কার্যক্রমে সম্ভাব্য সব ধরণের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) তিব্বত ও আশপাশের এলাকায় সকালে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এতে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি ভবন-স্থাপনা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।
ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ৪০টির বেশি আফটার শক অনুভূত হয়। এখনও বহু এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বিচ্ছিন্ন। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, চীনের জিজাং ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল, যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। কম্পন নেপাল, ভারত, ভূটান ও বাংলাদেশেও অনুভূত হয়।
