ঢাকাবুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ভোর ৫:০৭
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভারতে আশ্রিত শেখ হাসিনা ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া

সত্যের কন্ঠ
ডিসেম্বর ১১, ২০২৪ ২:৫৩ অপরাহ্ণ
পঠিত: 228 বার
Link Copied!

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে গত ৫ আগস্ট থেকে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ অবস্থায়, শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা, গুম এবং খুনের অভিযোগে প্রায় আড়াই শতাধিক মামলা দায়ের হয়েছে।

ভারত থেকে কীভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা সম্ভব, তা নিয়ে চলছে আলোচনা। এ প্রেক্ষাপটে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক টবি ক্যাডম্যান বলেছেন, শেখ হাসিনাকে পলাতক দেখিয়েও বিচার করা যেতে পারে।

টবি ক্যাডম্যান আরও জানান, ভারত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। তাদের বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে জুলাই গণহত্যার প্রধান আসামি শেখ হাসিনাকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর), ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর এবং তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে টবি ক্যাডম্যান এ কথা বলেন।

টবি ক্যাডম্যান উল্লেখ করেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংশোধিত আইন আন্তর্জাতিক মানের হলেও আরও কিছু বিষয়ে পরিবর্তন প্রয়োজন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হবে।

শেখ হাসিনার বিচারের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ফরমাল চার্জ গঠন শেষে বাংলাদেশ সরকার তাকে ফেরত পাঠানোর জন্য অনুরোধ করতে পারে। যদি ভারত সহযোগিতা না করে, তাহলে তার অনুপস্থিতিতেই বিচার প্রক্রিয়া চালানো হতে পারে। প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সাহায্য নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে।

মৃত্যুদণ্ডের কারণে বিশ্বের অনেক দেশ অপরাধী ফেরত পাঠাতে চায় না। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ভিন্ন উল্লেখ করে টবি ক্যাডম্যান বলেন, এ বাস্তবতা ওই দেশগুলোকে বুঝতে হবে। মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে কি না, তা আদালত নির্ধারণ করবেন।

গার্নিকা ৩৭ ল ফার্মের যুগ্ম প্রধান টবি ক্যাডম্যান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার ভূমিকা চিফ প্রসিকিউটরকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে আইনি সহায়তা দেওয়া।

প্রসঙ্গত, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় বাংলাদেশে আসেন টবি ক্যাডম্যান। গত ২ সেপ্টেম্বর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।