মামলার এজাহার এবং গ্রেফতারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ জানা যায় যে, ভিকটিমের পরিবার আশুলিয়া থানাধীন লালারটেক এলাকার একটি বাসায় বসবাস করে আসছে এবং সেখানে তার বাবা তামা ও কাসার ব্যবসা করত। আসামি বিদেশ সরকার ভিকটিমের প্রতিবেশী এবং দীর্ঘ দিন যাবৎ একই এলাকায় বসবাস করে আসছে। ভিকটিম স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণীতে পড়াশোনা করে। ঘটনার দিন ১৭ জুন ২০২৬ তারিখ ভিকটিম শিশুটি স্কুল থেকে আসার পরে আসামি বিদেশ সরকারের ছেলের সাথে তার সয়ন কক্ষে খেলা করছিল। বাড়ীতে কেউ না থাকার সুযোগে আসামি বিদেশ সরকার তার পাশের সয়ন কক্ষে নিয়ে ভিকটিমকে ধর্ষণ চেষ্টা করে। উক্ত ঘটনাটি ভিকটিম তার পরিবারকে জানালে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
উক্ত ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হয়। অভিযোগের পরপরই র্যাবের আভিযানিক দল উক্ত ধর্ষণ চেষ্টার সাথে জড়িত আসামিকে আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে তথ্য-প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা সূত্রের ভিত্তিতে আসামির অবস্থান সনাক্তের মাধ্যমে র্যাব-৪, র্যাব-১ এবং র্যাব-১৩ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর থানাধীন দশুলিয়া (গুচ্ছগ্রাম) এলাকা হতে তাকে গ্রেফতার করে।
৫। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।
