রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। হতাহতের আশঙ্কা আরও অনেক। এ ঘটনায় দগ্ধদের আনা হচ্ছে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে। ভর্তি হওয়া দগ্ধদের মধ্যে বেশিরভাগই শিক্ষার্থী। আর তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আজ সোমবার (২১ জুলাই) বিকেল ৪টা পর্যন্ত সেখানে ৬০ জনকে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মুমূর্ষু রোগীর সংখ্যা ৪৮।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বলেছেন, বার্ন ইনস্টিটিউটে ৬০ জন ভর্তি আছে। আরও ১০-১৫ জনকে এখানে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব। এরপর আরও রোগী এলে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হবে।
আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার বেলা ১টা ৬ মিনিটে বিমানটি উড্ডয়ন করে। পরে বিধ্বস্ত হয় প্রশিক্ষণ বিমানটি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ বিকট শব্দ হয়ে বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এ সময় আশপাশে হতাহত অনেকের দেহ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা গেছে। অনেককে আশপাশের হাসপাতালগুলোতে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চলছে। ফায়ার সার্ভিস, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনী উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। আছে বিজিবি, আনসারও। সাধারণ মানুষ উদ্ধার তৎপরতায় তাদের সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাও যুক্ত হয়েছে।
ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ৯ ইউনিট কাজ করছে। দগ্ধদের নিয়ে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স ছুটে যাচ্ছে হচ্ছে আশপাশের হাসপাতালগুলোতে। ছুটে যাচ্ছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে।
উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬০ জনের বেশি দগ্ধকে ভর্তি করা হয়েছে। উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ আশপাশের অনেক হাসপাতালে দগ্ধদের নেয়া হয়েছে। সেখানে রক্তের প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে।
