দক্ষিণ কোরিয়ায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ভারী তুষারপাত হয়েছে। তীব্র ঠাণ্ডায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে পাঁচজন মারা গেছেন এবং অনেকেই আহত হয়েছেন। যাতায়াত ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে অচলাবস্থা।
তুষারপাত সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে দেশটি। পরিস্থিতির অবনতির কারণে কয়েক ডজন ফ্লাইট বাতিল এবং ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সবমিলিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ জানিয়েছে, ১৯০৭ সালে তুষারপাতের তথ্য সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর এবার সিউলে তৃতীয় সর্বোচ্চ ভারী তুষারপাত রেকর্ড হয়েছে।
সিউলের নামদায়েমুন বাজারের এক বাসিন্দা জানান, “আজ প্রচুর তুষারপাত হচ্ছে। খুব ঠাণ্ডা লাগছে।” গরম স্যুপ খেতে খেতে তিনি বলেন, “স্যুপ খেয়ে সত্যিই কিছুটা উষ্ণ অনুভব করছি।”
বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সকালে সিউলের কিছু এলাকায় ১৬ ইঞ্চিরও বেশি তুষার জমে। এতে ১৪০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। আবহাওয়া কর্মকর্তারা পরে সিউল মেট্রোপলিটন এলাকায় ভারী তুষারপাতের সতর্কতা তুলে নিয়েছেন।
ইয়োনহাপের প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, বুধবার (২৭ নভেম্বর) থেকে সিউলের নিকটবর্তী জিয়ংগি প্রদেশে তুষারপাতের কারণে পাঁচজন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে চারজন বরফের নিচে চাপা পড়ে এবং একজন বরফে পিছলে যাওয়া বাসের দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।
এছাড়া, গাংওয়ান প্রদেশের ওনজু শহরের একটি মহাসড়কে বুধবার সন্ধ্যায় ৫৩টি গাড়ির সংঘর্ষে ১১ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
