অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী তাদের আক্রমণ আরো জোরদার করার পর মঙ্গলবার সৈন্যরা দক্ষিণ গাজা উপত্যকায় হামাস যোদ্ধাদের সাথে লড়াই করেছে।
ইসরায়েলি বাহিনীর সতর্কতা জারি, ‘ধ্বংসস্তুপে আটকে পড়া বেসামরিক নাগরিকদের জন্য আরো বেশি নারকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।’
ইসরায়েল প্রাথমিকভাবে ভূখন্ডের উত্তরে তাদের আক্রমণকে কেন্দ্রীভূত করেছিল। কিন্তু সেনাবাহিনী এখন দক্ষিণের কিছু অংশে লিফলেটও ফেলছে। সেখানকার বেসামরিক নাগরিকদের অন্যত্র পালিয়ে যেতে বলছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা এএফপি’কে জানিয়েছেন, ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক, সাঁজোয়া যান এবং বুলডোজার সোমবার বেসামরিক লোকে পরিপূর্ণ দক্ষিণ গাজায় খান ইউনিস শহরের কাছে দেখা গেছে। যেখানে যুদ্ধের শুরুতে উত্তর গাজা থেকে বেসামরিক লোকেরা তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছিল।
সেনাবাহিনী সোমবার বলেছে, তারা খান ইউনিসে ‘হামাস এবং অন্যান্য সংগঠনের’ বিরুদ্ধে ‘আক্রমনাত্মক’ পদক্ষেপ নিচ্ছে। তারা সতর্ক করে বলেছে, শহরের উত্তর ও পূর্বের প্রধান সড়ক ‘একটি যুদ্ধক্ষেত্র’।
হামাস টেলিগ্রামের মাধ্যমে দাবি করেছে, তাদের যোদ্ধারা খান ইউনিসের কাছে সেনা বহনকারী দু’টি যান এবং একটি ট্যাঙ্ককে টার্গেট করে হামলা চালিয়েছে।
গাজা থেকে ইসরায়েলি ভূখন্ডের দিকে আবারও রকেট সালভো নিক্ষেপ করা হয়।
যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে বেসামরিক লোকজন পালিয়ে যাওয়ার জন্য জায়গা ছেড়ে চলে যাচ্ছে।
ফিলিস্তিনি ভূখন্ডের জন্য জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয়কারী লিন হেস্টিংস বলেছেন। ‘গাজায় কোথাও নিরাপদ নয় এবং কোথাও যাওয়ার বাকি নেই।’
হেস্টিংস এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘সম্ভবত আরও একটি নারকীয় দৃশ্য উদ্ঘাটন হতে চলেছে, যেখানে মানবিক সহযোগিতা কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা থাকবে না।’
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বলেছে, হামাসের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েল হামাসকে নির্মূল করার এবং গাজায় আটক সকল জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
