আলভী মাহমুদ আলিফ প্রতিনিধি :
রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন বেড়ীবাধ ইউল্যাব ইউনিভার্সিটির পেছনের আমবাগান এলাকা থেকে একটি বিদেশি রিভলবারসহ সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী সোহেল মাওরা সোহেল (২৮)-কে এবং বসিলা রোড সংলগ্ন মেট্রো হাউজিং এলাকা থেকে দুটি সামুরাই ও একটি চাইনিজ কুড়ালসহ আরও দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-২।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, ‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’ এই স্লোগানকে ধারণ করে র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সন্ত্রাস, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ও বিভিন্ন অপরাধ দমনে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ছিনতাইকারী চক্র নির্মূলে র্যাব-২ অভিযান অব্যাহত রাখে।
র্যাব জানায়, গত ২০ জুন ২০২৬ তারিখে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুর থানাধীন বেড়ীবাধ ইউল্যাব ইউনিভার্সিটি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ইউল্যাব ইউনিভার্সিটির খেলার মাঠের পেছনের আমবাগান থেকে একটি বিদেশি রিভলবারসহ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী সোহেল মাওরা সোহেল (২৮)-কে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, সোহেল মোহাম্মদপুর এলাকার কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারী চক্র ‘মাওরা গ্রুপ’-এর প্রধান এবং কিশোর গ্যাং নেতা আবু হাসান সাঈদ গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে সক্রিয় ছিল।
পরবর্তীতে সোহেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন মধ্যরাতে র্যাব-২ মোহাম্মদপুর থানাধীন বসিলা রোড সংলগ্ন মেট্রো হাউজিং এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় দুটি সামুরাই ও একটি চাইনিজ কুড়ালসহ মোঃ শফিকুল ইসলাম সুজন (৩০) এবং মোঃ রাসেল (২৩)-কে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাবের পিসিপিআর যাচাইয়ে দেখা যায়, সোহেলের বিরুদ্ধে ফরিদপুরের মধুখালী ও রাজধানীর মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন থানায় চুরি, দস্যুতা, হত্যা চেষ্টা, গুরুতর আঘাত ও মাদক সংক্রান্ত মোট ১৪টি মামলা এবং ২টি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। এছাড়া সুজনের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় এবং রাসেলের বিরুদ্ধে হাজারীবাগ থানায় একটি করে মাদক মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্যান্য ছিনতাইকারীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
