মো,জায়েদ হোসেন,পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি :
গত ১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সময় বিএনপি ও পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় দশমিনা উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক সহ ২৫ জনকে আসামী করে আরো অজ্ঞাতনামা দু’শত আসামী করে গতকাল শনিবার দশমিনা থানার এসআই মেহেদী হাসান বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন।
দশমিনা থানাসূত্রে জানাগেছে, বিএনপির ৪৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর র্যালি চলার সময় উপজেলা সদরের পুজাখোলা এলাকায় পুলিশের সংঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।এ সময় সংঘর্ষে পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত ও পুলিশের তিনটি মটর সাইকেল ভাংচুর করা হয়।
এ ঘটনায় বিএনপির বিশ/পঁচিশ জন নেতাকর্মী আহত হয়। মামলায় উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক শাহ আলম শানু সিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান বাদল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জোবায়ের হোসেন আক্কাস, সদস্য সচিব সাফায়েত ইসলাম শাওন,ছাত্রদলের আহবায়ক কাজী তানজিল আহমেদ রিডেন,যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ইয়াসিন আলী খাঁন,জুয়েল আমিন প্যাদা,সোহেল জোমাদ্দার সহ পঁচিশ বিএনপি ও অংঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ সহ দু’শত জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে। ওই মামলায় বিএনপি কর্মী সায়েদ রনি,তাজুল ইসলাম ও আকবর হোসেনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করেছে। এদিকে মামলায় অজ্ঞাতনামা দু’শত জনকে আসামী করায় বিএনপি ও অংঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পরেছে। পুলিশি গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে সংগঠনের নেতারা।
মামলার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন বলেছেন, পুলিশের অনুমতি নিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি পালন করার সময় বিনা উসকানীতে পুলিশ পিছন থেকে অতর্কিত হামলা চালিয়ে উল্টো বিএনপি সহ অংঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশের এহেন আচরনে বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি প্রতিনিয়ত ক্ষুন্ন হচ্ছে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, সরকারী কাজে বাধা,পুলিশের ওপর হামলা ও মটর সাইকেল ভাংচুরের ঘটনায় তিন জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
