মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, মামলার বাদী শ্রী রিপন চন্দ্র দাস (২৯), পিতা- শ্রী লক্ষন চন্দ্র দাস, সাং- আরজিসাদীপুর (হঠাৎপাড়া), থানা- চারঘাট, জেলা- রাজশাহী এর মেয়ে ভিকটিম একজন ০৭ বছরের শিশু। আসামী শ্রী দেব চন্দ্র দাস (২২), পিতা- শ্রী জয় চন্দ্র দাস বাদীর প্রতিবেশী। ঘটনার তারিখ ০৮/০৭/২০২৬ ইং সময় দুপুর অনুমান ১৪:০০ ঘটিকায় বাদীর মেয়ে আসামী শ্রী দেব চন্দ্র দাস এর বাসায় টিভি দেখতে গেলে বাসায় অন্য কোন লোক না থাকায় ভিকটিমকে খাবারের লোভ দেখিয়ে ঘটনাস্থল রাজশাহী জেলার চারঘাট থনাধীন আরজিসাদীপুর গ্রামস্থ পৌরসভা ০৫ নং ওয়ার্ড আসামীর টিভি রুমের চৌকির উপরে জোরপূর্বক ভয় দেখিয়ে ধর্ষন করে। ঐ সময় বাদীর স্ত্রী তার মেয়েকে গোসল করানোর জন্য খুঁজতে থাকে।
খোঁজাখুজির একপর্যায়ে বাদীর স্ত্রী দেখে তার মেয়ে ভিকটিম আসামী শ্রী লক্ষন চন্দ্র দাস এর বাসার বারান্দায় কান্নাকাটি করছে। বাদীর স্ত্রী তখন ভিকটিমকে গোসল কারনোর জন্য নিয়ে গেলে ভিকটিমের পরিহিত প্যান্টে বীর্যের দাগ দেখতে পেলে তাৎখনিক বিষয়টি বাদীকে জানালে বাদী তার মেয়েকে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ভিকটিম আসামী কর্তৃক জোরপূর্বক ধর্ষণের ঘটনার কথা অকপটে বলে। বাদী তাৎখনিক ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান এবং বর্তমানে ভিকটিম চিকিসাধীন রয়েছে।
ঘটনাটি প্রকাশের পরপরই উক্ত এলাকা সহ রাজশাহী এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা শ্রী রিপন চন্দ্র দাস বাদী হয়ে রাজশাহী এর চারঘাট থানায় শ্রী দেব চন্দ্র দাসকে এজাহারনামীয় আসামী করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-৭, তারিখঃ ০৮ জুলাই ২০২৬ ইং, ধারাঃ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০২৫) এর ৯(১)।
উল্লেখিত মামলার প্রেক্ষিতে আসামীকে গ্রেফতারের অভিযানে নামে র্যাব।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৫, সদর কোম্পানী রাজশাহী এর একটি চৌকস আভিযানিক দল অদ্য তারিখ ০৮ জুলাই ২০২৬ ইং সময় ০৩:৩০ ঘটিকায় রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানাধীন মোহনপুরস্থ ম্যাজিক লুন্ঠন স্কুল এর সামনে অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় ১ নং আসামী শ্রী দেব চন্দ্র দাস (২২), পিতা- শ্রী জয় চন্দ্র দাস, সাং- আরজিসাদীপুর (হঠাৎপাড়া), থানা- চারঘাট, জেলা- রাজশাহী’কে গ্রেফতার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী উক্ত ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে রাজশাহী জেলার চারঘাট থানায় হস্তান্তর প্রকৃয়াধীন রয়েছে।
