বিদেশ পাঠানোর কথা বলে প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে সিলেট সুনামগঞ্জ আলমপুরের মাওলানা মাসুক আহমেদ ।আমাদের বাংলাদেশে অনেক অসহায় নারী আছে যারা একটু পরিবারকে ভালো রাখার জন্য পরিবার-পরিজনকে ত্যাগ করে সবকিছু ফেলে পরিবারকে সুখে রাখার জন্য বিদেশ পাড়ি দিতে চান ।
এদেরকেই নানাভাবে ভালো কাজ ,ভালো বেতন এর লোভ দেখিয়ে বিদেশে পাঠান মাওলানা মাসুক আহমেদ। আর সেই লোভে পড়ে আমাদের দেশের কিছু অসহায় নারীরা যখন বিদেশ যান তখন গিয়ে দেখেন নানান কষ্ট আর নানান প্রতারণার ফাঁদে পড়ে গেছেন তারা ।
এক রুমের মধ্যে ৩০-৪০ জনকে বন্দী করে রাখা হয়েছে। খুবই দুর্বিষহভাবে তখন তাদের দিন কাটাতে হয়। যে পর্যন্ত কাজ মিলবে না তাদেরকে আটকে রাখা হয় একটি ঘরের মধ্যে। ভাগ্য ভালো হলে অনেকের কাজ জুটে যায় ।আবার অনেকের কপালে জোটে না ।
অনেক সময় তারা খেতেও পায় না অত্যাচার করতে থাকেন তাদের উপর। তখন দেশে আসার জন্য চেষ্টা করলেও আসতে পারেন না তারা। কারণ দেশে আসতে হলে টাকা লাগবে তখন তারা কি করবেন নিজেরাও বুঝতে পারেন না নারী পাচারকারী ও প্রতারক মাওলানা মাসুক আহমেদ এমনিভাবে অনেককে পাঠিয়েছেন সৌদিতে।
অনেকে পালিয়ে এসেছেন বহু কষ্ট করে আবার অনেকে আসতেও পারেননি ।এমনি একজনের সন্ধান পাওয়া গেল হুসনা নামে এক মেয়ের। প্রতারক মাওলানা মাসুক আহমেদ ও জবা এজেন্সির জবা অফিস সৈনিক ক্লাব ফ্লাইওভার সংক্রম হোসনাকে বিদেশ পাঠান।
হুসনার বয়স মাত্র ১৬ বছর ।হুসনার বাড়ি সিলেট সুনামগঞ্জ দরিদ্র পরিবারের মেয়ে অসহায় বাবা ঠিকমতো সংসার চালাতে পারেন না ।এই সুযোগ কে প্রতারক মাওলানা মাসুক আহমেদ কাজে লাগিয়ে হুসনাকে বিভিন্নভাবে প্রতারণার ফাঁদে ফেলেন।তার বাবা মাকে ও হুসনাকে নিজের খরচে বিদেশ পাঠাবেন বলে নানান ভাবে লোভ দেখান ।
একসময় প্রতারকের ফাঁদে পড়ে যায় হুসনা।১৬ বছরে তো আর বিদেশ যাওয়া যাবে না তখন প্রতারক মাসুক ও জবা যে কোন উপায়ে নিজেদের স্বার্থের জন্য পাসপোর্ট তৈরি করেন এবং হুসনাকে বিদেশ পাঠান ।হুসনা বিদেশ গেলেও অল্প বয়সের কারণে মিলছে না তার কাজ বারবার হচ্ছে নির্যাতিত লাঞ্ছিত হুসনাকে এখন দেশে আনতে হবে দেশে আনতে হলে বিমানের টাকার প্রয়োজন ।
নানাভাবে প্রতারক মাওলানা মাসুক আনবে আনবে করে প্রায় তিন মাস মা-বাবাকে আশ্বাস দেওয়ার পর ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন এবং এনে দিবে বলেন ।হুসনার বাবা-মা খুবই অসহায়ও গরিব পরে সুদে টাকা নিয়ে প্রতারক মাসুক ও জবা কে টাকা টা দেন। হুসনার ওইখান থেকে ভিসা ক্যানসেল হয় কিন্তু প্রতারক মাওলানা মাসুক আনবে করে আর আনছেনা ।প্রতিদিন নির্যাতিত হচ্ছে হোসনা ।হুসনার নির্যাতনের দায়ভার কে নিবেন।
হুসনার আত্মীয়-স্বজনের দাবি (১) ট্রাভেলসের মালিক জবা ( ২) মাওলানা মাসুক আহমেদকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি ব্যবস্থা করা হোক। ভবিষ্যতে এই ধরনের প্রতারণা যেন কারো সাথে না করতে পারে।
