ঢাকাশুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১০:৫৩
আজকের সর্বশেষ সবখবর

“সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে অবৈধভাবে চালাচ্ছেন মোরব্বার ব্যবসা”

সত্যের কন্ঠ
নভেম্বর ২০, ২০২৩ ৪:১৪ অপরাহ্ণ
পঠিত: 350 বার
Link Copied!

বছরজুড়েই চাল কুমড়ার মোরব্বার কদর থাকে। যেকোনো ডেজার্ট সাজাতে, কেকের ভেতরে ড্রাই ফ্রুটস হিসেবে এর ব্যবহার বেশ প্রচলিত। শিশুর কাছেও বেশ পছন্দের খাবার এটি। কিন্তু এই পছন্দনীয় খাবারটি যেন আমরাএখন নির্ভয়ে-নিশ্চিন্তে খেতে পারছি না। বাজার থেকে কিছু কিনতে গিয়ে থমকে দাঁড়াতে হয়, দ্রব্যটি নিরাপদ না বিষযুক্ত সেটা ভাবতে গিয়ে।

রাজধানীর দয়াগঞ্জ গেন্ডারিয়া থানা এরিয়ায় বেশিরভাগ পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগের যেন শেষ নেই। নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে। ঘরে আলো বাতাস ঢোকার জায়গাও তেমন নেই। স্যাঁতস্যাঁতে নোংরা পরিবেশ খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণেও রয়েছে চরম অব্যস্থাপনা।

এছাড়াও পণ্য রাখার ঘর যেমন অপরিষ্কার তেমনি দুর্গন্ধময় পোকামাকড়েও ভরপুর। সর্বোপরি বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের নেই সাইনবোর্ড ওবিএসটিআইয়ের লাইসেন্স। অনুমোদন ছাড়াই চলছে পণ্যের উৎপাদন ।এটি যেন এখন নিয়মিত বিষয় হয়ে উঠেছে। ফলে মানব স্বাস্থ্যের বিষয়টি এখন হুমকির মুখে পড়ছে।

সম্প্রতি কিছু অভিযানে মোরব্বা পণ্যের উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বেহাল চিত্র উঠে এসেছে সত্যের কণ্ঠের হাতে (ক্যামেরায়) ।এই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মো:মোহসিন । তার প্রতিষ্ঠানের নেই কোন সাইনবোর্ড এবং ট্রেড লাইসেন্স।

এছাড়াও দেখাতে পারেনি বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ।মেইন রোডের পাশে ফ্যাক্টরিতে ঢুকতেই চোখে পরে ডাস্টবিন ডাস্টবিনের পরেই একটি গ্যারেজ তার ভিতরে একটি ছোট কক্ষে তৈরি করা হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সুস্বাদু মোরব্বা। এই ফ্যাক্টরিতে ঢুকতে গেলে পড়তে হয় বাধার সম্মুখিনে বুঝার উপায় নেই এই গ্যারেজের ভিতরে মোরব্বা তৈরীর ফ্যাক্টরি আছে।

ফ্যাক্টরির একজন শ্রমিক জানান মালিক হঠাৎ হঠাৎ আসেন, চোখে দেখে বুঝার উপায় নেই কে ফ্যাক্টরিতে কাজ করছে, কে গ্যারেজে কাজ করছে,

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মো:মোহসিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে উনি নিজেকে একজন গণমাধ্যম কর্মী বলে পরিচয় দেয়, সম্পাদকের নাম এবং অফিস কোথায় জিজ্ঞাসা করলে কিছুই বলতে পারেন না, ন্যাশনাল ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেন।

স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, মোরব্বা গুলো বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। বেকারিটি বন্ধ করার জন্য প্রশাসনকে বললেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে ভেজাল ও বিষাক্ত খাদ্য খাবারের মাধ্যমে রয়েছে শিশুর মৃত্যুঝুঁকি। গর্ভবতী মহিলারা জন্ম দিতে পারে বিকলাঙ্গ শিশু, গর্ভস্থ শিশু প্রতিবন্ধী হওয়ার আশংকাও থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এসব খাবার খাওয়ার ফলে বয়স্ক ও শিশুদের মধ্যে ক্যান্সার জাতীয় রোগের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। আমরা এখন কিছুই যেন নির্ভয়ে-নিশ্চিন্তে খেতে পারছি না।

এমনটা তো চলতে পারে না! তাই মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জীবন রক্ষায় নিরাপদ খাদ্যের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া দরকার । খাদ্য যদি নিরাপদ না হয়ে বিষযুক্ত হয়, তবে আমরা ধীরে ধীরে পংগু জাতিতে পরিনত হব । অতি দ্রুত এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আরও বিস্তারিত আসছে পরবর্তী তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।