নিজস্ব প্রতিনিধি: ঢাকা জেলা নবাবগঞ্জ আগলা পূর্বপাড়া মোঃ আনোয়ার হোসেন এর ছেলে দীপু মিয়া(২৬) ।তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রাণ নেওয়ার চেষ্টা করলেন শ্বশুর ছলেমান (৪৫)। তথ্য অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা যায় গত ২৭/০৭/২০২৩ ইং তারিখে আনুমানিক রাত ৯ টায় স্বামী স্ত্রীর মাঝে কথা কাটাকাটি হয় পরের দিন দিপু তার কাজে চলে যান। এবং দিপু সুমাইয়ার ব্যাপারে তার বাবা মায়ের কাছে সকল কিছু জানান কিন্তু সুমাইয়ার বাবা-মা বিষয়টিকে সঠিকভাবে নেন না।
২৮/৭/২০২৩ ইং তারিখে দিপুর শাশুড়ি তাসলিমা আক্তার, সুমাইয়ার আম্মা আনুমানিক বিকেল ৫টায় দিপুর বাড়িতে এসে দিপুর মাকে নানান ভাবে গালমন্দ করেন এবং মেয়ে সুমাইয়াকে সাথে করে কোন অনুমতি ছাড়াই নিয়ে চলে যান । এতেও তারা কোনভাবে শান্ত হয় না। পরের দিন ২৯/০৭/২০২৩ ইং তারিখে আনুমানিক রাত ৮ ঘটিকার সময় দিপু মিয়ার শশুর মোঃ ছলেমন তার দলবল নিয়ে আগলা পূর্বপাড়া তেতুলতলা বাজারে যাওয়ার পথে সাবেক মেম্বার আকমত আলী পাঠানের বাড়ির নিকট দিয়ে দীপু তার মালিকের এক লক্ষ পঁচিশ হাজার টাকা দিতে ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন । তখন ১/ দীপু শ্বশুর মোঃ ছলেমন(৪৫)২/ আল আমিন (৩০) ৩/ কাউসার হোসেন ৪/ মোঃ আঃ ছালাম (২৮) ও তার দলবল কোন কথা না বলেই দিপুকে এলো পাথালি ভাবে মারধর করতে থাকেন ।এক পর্যায়ে দিপু অজ্ঞান হয়ে যান। দিপুর শ্বশুর মোঃ ছলেমন মনে করেন দিপু মারা গেছেন । তখন তারা দিপুর পকেট থেকে নগদ এক লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ও দিপুর ব্যবহারকৃত ওপ্পো মোবাইল নিয়ে যান এবং
আলামিন বলে আসেন এই বিষয়ে থানা পুলিশ বা মামলা করলে কাউকে ছাড়বো না ।পরে লোকজন দিপু কে উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। চিকিৎসক দিপুর অবস্থার অবনতি দেখে জরুরী ভিত্তিতে ঢাকা নিয়ে যেতে বলেন। তখন তারা তাৎক্ষণিকভাবে দিপুকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল এ ভর্তি করেন। পরে কিছুটা সুস্থ হয়ে বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ( আমলী) নবাবগঞ্জ আদালত, ঢাকা। সি আর মামলা নং-৩৪৭-২০২৩
ধারা:-১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৪/
৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৫৪/৩৭৯/৫০৬/৩৪ দন্ডবিধি । দিপুর বাবা আনোয়ার হোসেন খুবই দরিদ্র ও অসহায় একজন মানুষ এরকম ঘটনা কারো সাথে যেন না ঘটে।আর দিপুর পরিবার ও এলাকাবাসী মহামান্য আদালত ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে প্রত্যক্ষ দোষীদের শাস্তি প্রদানে জোরদার দাবি জানান।
