স্তন ক্যান্সার সচেতনতা বিষয়ক এক কর্মশালায় বক্তারা বলেছেন, স্তন ক্যান্সার সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমের জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন।
তারা বলেন, স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতার অভাব, সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং নারীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত জ্ঞানের অভাবে দেশে স্তন ক্যান্সারে নারী মৃত্যুহার বাড়ছে। তাই, জনসচেতনতা সৃষ্টি ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে গণমাধ্যমকে এগিয়ে আসতে হবে। ‘স্তন ক্যান্সার সচেতনতায় গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় বক্তারা আজ একথা বলেন।
ক্যান্সার সচেতনতা মাস উপলক্ষে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (নিমকো) ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
নিমকো’র মহাপরিচালক নূরুন নাহার হেনা’র সভাপতিত্বে কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত কর কমিশনার এবং ব্লু স্কাই চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন (বিএসসিএফ)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা আয়েশা সিদ্দিকা শেলী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, নিমকো’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফায়জুল হক, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ এর প্যাথলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জুবায়দা বাহারুন খান এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. এ জেড. মাহমুদুল হাসান।
নুরুর নাহার হেনা বলেন, প্রতিবছর দেশে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। সচেতনতার অভাব, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং নারীদের লজ্জার কারণে স্তন ক্যান্সারে মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এমনকি তারা জানেও না যে, স্তন ক্যান্সার নিজে নিজেই পরীক্ষা করা যায়।
তিনি বলেন, এই লজ্জার কারণেই একেবারেই শেষ পর্যায়ে এসে স্তন ক্যান্সার শনাক্ত হয়। যখন চিকিৎসকের কিছু করার থাকে না। তাই এ অবস্থা পরিবর্তনে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। এজন্য প্রয়োজন গণমাধ্যমের জোরালো উদ্যোগ। তিনি ৩০ বছরের বেশি বয়েসী সকল নারীর জন্য স্তন ক্যান্সার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
