আলভী মাহমুদ আলিফ প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লালমাই এলাকায় মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনায় আদালতের নির্দেশে তদন্তভার পেয়ে ২ জন ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই। এ সময় ভিকটিমের একটি লুণ্ঠিত মোবাইল ফোন উদ্ধার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া গ্রেফতারকৃতদের একজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৩টার দিকে যমুনা ও সেনা এলপি গ্যাসের স্থানীয় ডিলার মোঃ জহুরুল হক হাওলাদার ব্যক্তিগত প্রাইভেটকারযোগে ঢাকা থেকে লালমাই যাওয়ার পথে কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের কেশনপাড়া জ্যাতব্বল বৌদ্ধবিহার সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জন ডাকাত মহাসড়কে গাছ ফেলে তাদের গাড়ির গতিরোধ করে।
পরে ডাকাতরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে গাড়ির গ্লাস ভেঙে ব্যবসায়ী জহুরুল হক ও তার ড্রাইভার সাইফুল ইসলামকে জিম্মি করে তাদের কাছ থেকে নগদ ৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং ৪টি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জহুরুল হক হাওলাদার লালমাই থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি লালমাই থানার মামলা নং-০৬, তারিখ ১৩/০৩/২০২৬ খ্রি., ধারা ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোডে রুজু করা হয়।
থানা পুলিশের তদন্ত চলাকালে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত মামলাটির তদন্তভার পিবিআই কুমিল্লা জেলাকে প্রদান করেন। পরবর্তীতে পিবিআই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় কুমিল্লার কোতয়ালী থানাধীন ক্যান্টনমেন্ট নিশ্চিন্তপুর এলাকা থেকে ডাকাতির ঘটনায় সরাসরি জড়িত মোঃ একরাম হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল এবং মোঃ শাহাজান মিয়া, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত একটি স্মার্টফোন উদ্ধার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করা হয়।
পিবিআই জানায়, গ্রেফতারকৃত একরাম হোসেন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ডাকাতদের নাম প্রকাশ করেছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
